HalimBD.com

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বিডি


অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বিডি পাওয়ার আবেদনের কাজ করার পূর্বে জেনে নেওয়া দরকার কি কি কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল হতে পারে। বিস্তারিত লিখেছি আপনার জন্য।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর সংক্রান্ত


অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়েব পেইজে আপনি যখন ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদনের কাজ করতে যাবেন তখন দ্বিতীয় ধাপে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য ইনপুট করতে হয় । তখন আপনি যদি আপনার বর্তমান ঠিকানা ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার বর্তমান ঠিকানার পক্ষে একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেটের কপি আবেদনের সহিত সাবমিট করতে হবে। তবে এখানে উল্লেখ্য যে, আপনার বর্তমান ঠিকানাটি অবশ্যই পাসপোর্টে উল্লেখ করা সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলাধীন হতে হবে । একটু পরিস্কার করে বললে- আপনার পাসপোর্টের এড্রেসেটি যদি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার কোন একটি থানা হয় তাহলেই কেবল আপনি অন্য থানার অধীনে আবেদন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনি বর্তমানে যে ওয়ার্ডে বসবাস করছেন সেই ওয়ার্ডের একটি কাউন্সিলস সার্টিফিকেটর প্রয়োজন হবে।
আবেদনের কাজ করার সময় পাসপোর্ট কপি যেখানে আপলোড করবেন সেইখানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট আপলোড করার জায়গায় উক্ত সার্টিফিকেটটি আপলোড করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিস আপনার বর্তমান ঠিকানায় আবেদন গ্রহণ করবেন না। এসময় সতর্ক থাকতে হবে আপনি যে কাগজগুলো আপলোড করছেন সেগুলো যেন পড়া যায় কারণ অনেকেই এমন কাগজ আপলোড করেন যেগুলো ঠিকভাবে বোঝা যায় না, পড়া যায় না। আপনার আবেদন বাতিল হওয়ার কারণ এটিও হতে পারে। তাই সতর্কতার সহিত কাজ করাই উত্তম। লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


ঠিকানা সংক্রান্ত কারণ


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য পাসপোর্টের ঠিকানা খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের হোম পেজে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে। আপনি যদি পাসপোর্টের ঠিকানা অনুযায়ী আবেদন সাবমিট করেন তাহলে ঠিকানা সংক্রান্ত কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল হবে না। আর আপনি যদি বর্তমানে যে ঠিকানায় বসবাস করছেন সেই ঠিকানা ব্যবহার করেন অথচ উক্ত ঠিকানাটি আপনার পাসপোর্টে নেই এমনকি ইমার্জেন্সি কন্টাক্টেও নেই তাহলে আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।


সত্যায়ন সংক্রান্ত কারণ


অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের হোম পেজে এই বিষয়ে স্পষ্টাকারে উল্লেখ করা আছে। সেগুলো পড়লে অনেক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা হয়। অধিকাংশ মানুষ পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি ছাড়া আবেদন সাবমিট করেন যার ফলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়। নিয়ম হচ্ছে আপনার পাসপোর্টের কপি ফটোকপি করে একজন প্রথমশ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত করে সেই কপিটি আবেদনের সহিত সাবমিট করা রঙিন কপি নয়।


রেফারেন্স নম্বর সংক্রান্ত কারণ



আপনি যদি অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়েব পেইজে আবেদন সাবমিটের কাজ শুরু করেন তাহলে চতুর্থ ধাপে গিয়ে আপনি চালান কপি ডাউনলোড করার অপশন পেয়ে যাবেন । চালান জমা দেয়ার জন্য চালান ফরমে আপনাকে কোনকিছু লিখতে হবেনা এমনকি রেফারেন্স নম্বরটিও উহাতে লেখা থাকে। এটাই আপনার জন্য সহজ। আর আপনি যদি আবেদনের কাজ শুরু করার পূর্বে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে দেন তাহলে আপনার রেফারেন্স নম্বরটি চালানকপির উপরে লিখে দিবেন। আপনার আগের আবেদনটি যদি বাতিল হয়ে যায় তাহলে নতুন রেফারেন্স নম্বরটি চালানকপির উপরে লিখে দিবেন। আগের নম্বরটি কেটে দিবেন। যদিও চালানকপির উপর রেফারেন্স নম্বর লেখা এখন আর আবশ্যক নয় তারপরও পুলিশ অফিস আবেদনটি বাতিল করে দিতে পারেন। ইহা ছাড়াও নিম্মলিখিত কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল হতে পারে
(১) তথ্যগত ভুল
(২) আপলোডকৃত কাগজপত্র স্পষ্টভাবে দেখা না গেলে
(৩) অন্যের চালানতথ্য নিজের আবেদনে ব্যবহার করলে
(৪) অন্যের চালানকপি নিজের আবেদনে আপলোড করলে
(৫) আবেদনকারী বিদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি সত্যায়িত না থাকলে
(৬) বাংলাদেশী নাগরিক তবে বিদেশী পাসপোর্ট হলে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট না করলে।



Copyright © All Rights Reserved By Halim BD