HalimBD.com

PCC BD


টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম।
নিশ্চয়ই জানেন Online Police Clearance Certificate পাওয়ার জন্য pcc.police.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হয়। পিসিসি পাওয়ার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে সেই বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে। অনলাইনে আবেদন করার সময় যদি আপনি কোন সমস্যার সম্মু্ক্ষিন হন তাহলে সার্চবারে বাংলায় পিসিসি বিডি অথবা ইংরেজিতে pcc bd লিখে সার্চ করলে আপনি halimbd.com ওয়েবসাইটটি পেয়ে যাবেন। বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়ার পর আবেদনের কাজ করলে আপনার সময় ও পরিশ্রম দুটোই বাচবে। কারণ সঠিক নিয়ম না জানার কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল হতে পারে। লেখাগুলো পড়লে আপনি অতিরিক্ত হয়রানি হতে রক্ষা পাবেন । আবদনের বিভিন্ন সমস্যাসহ নিয়মটা জানা থাকলে আপনি অল্প সময়ের মধ্যে পিসিসি হাতে পেয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ্।

প্রথম ধাপ অতিক্রম করার নিয়ম

আবেদন সাবমিট করার জন্য আপনি যখন আবেদনের কাজ করতে যাবেন তখন বিভিন্ন কারণে আপনি প্রথম ধাপ অতিক্রম করতে পারবেন না। আপনার প্রথম ধাপটি যদি পিসিসি অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট/ ভেরিফাই সংক্রান্ত হয় তাহলে আপনি পিসিসি আইডি খোলার নিয়ম দেখতে পারেন। আর আপনি যদি আবেদন ফরমের প্রথম ধাপ অতিক্রম করতে না পারেন। তাহলে আপনি নতুন আবেদনের কাজ করার নিয়ম দেখতে পারেন। আপনি সকল নিয়ম জানেন এরপরও যদি আবেদন ফরমের প্রথম ধাপ অতিক্রম করতে না পারেন। তাহলে বুঝতে হবে এই আবেদনের পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে পূর্বে একবার চেষ্টা করা হয়েছিল। আবেদনে পাসপোর্ট নম্বর না নিলে যা করতে হবে... পূর্বের আবেদনটি ডিলিট করা ছাড়া নতুন আবেদনের কাজ করা যায় না সিস্টেমস এটাকে বাধা প্রদান করে Read More

ভেরিফিকেশন থানা সিলেক্ট করার পদ্ধতি

তদন্ত হবে কোন থানায় ? এমন প্রশ্ন আপনার মনে উদয় হতেই পারে। আমার প্রশ্ন আপনাকে, আপনি কোন ঠিকানায় পিসিসি পেতে ইচ্ছুক। বর্তমান অথবা স্থায়ী যেকোনো একটি ঠিকানা তদন্ত করা হবে। আপনি যদি স্থায়ী ঠিকানায় ভেরিফিকেশন করাতে চান তাহলে উভয়ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখবেন, ঠিকানা সংক্রান্ত কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হতে পারে। অনেকেই আছেন আবেদনের কাজ করার সময় ভেরিফিকেশন থানা সিলেক্ট করতে ভুল করেন। এই লেখাটি পড়লে আর কারো ভুল হবেনা আশা করা যায়। আপনি যদি বর্তমান ঠিকানায় ভেরিফিকেশন করাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার বর্তমান ঠিকানার থানাটি সিলেক্ট করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় আবেদনকারী তার কাঙ্খিত থানাটি খুঁজে পান না। কিভাবে আপনার থানাটি খুঁজে পাবেন

চালান তথ্য ইনপুট করার নিয়ম

আবেদন সাবমিট করার সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে চালান তথ্য ইনপুট করা। তাই চালান তথ্য ইনপুট করার নিয়ম জানা খুবই প্রয়োজন এই ধাপটিই আবেদন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ ধাপ। আপনি যদি অনলাইনে পেমেন্ট করতে চান তাহলে ই-চালান তথ্য ইনপুট করার নিয়ম দেখে নিতে পারেন। চালান তথ্য ইনপুট করতে না পারার কয়েকটি কারণ আছে। একটু ভুলের কারণে চালান রিফিউজ্ড হতে পারে। চালান রিফিউজড হওয়ার কারণ দেখে নিন। প্রথম কারণটি হচ্ছে চালানকোড। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের হোম পেজে সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার ট্রেজারী চালানকোডটি দেওয়া আছে। (চালানকোড-১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) আপনি যদি চালানকোডটি ভুল করেন তাহলে আপনার টাকার তথ্য নির্দিষ্ট চালানকোডে না থাকার কারণে আপনি চালান তথ্য ইনপুট করতে পারবেন না Read More

সার্টিফিকেট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে না

সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছেন অথচ সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে অনলাইনে খুঁজে পাওয়া গেলনা এটা যেমন টেনশনের তেমনি আপনার মনবলের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তখন মনে হয় এটা ভুয়া সার্টিফিকেট ! না এটা কোন ভুয়া সার্টিফিকেট না। অনলাইন সিস্টেমে কাজের আপডেট না হওয়ার কারণে এরকম হচ্ছে। আপনাকে যে পুলিশ অফিস থেকে সার্টিটিকেটটি দেওয়া হলো সেই অফিসের কম্পিউটার থেকে আপনার সার্টিফিকেট জনিত কাজের শেষ আপডেট পরিবর্তন করে দিলেই আপনি তখন অনলাইনে দেখতে পাবেন। এটা আপনার পিসিসি আইডিতেও দেখতে পাবেন। আপনার আইডিতে আপনি যদি কারেন্ট স্ট্যাটাস Deliverd দেখতে পান তাহলে সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে অনলাইনে দেখতে পারবেন। আর আপনি যদি কারেন্ট স্ট্যাটাস - এ Deliverd দেখতে না পান তাহলে সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলা পুলিশ অফিসে লোক পাঠিয়ে অথবা মোবাইল মারফত কারেন্ট স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। যদিও এটা আপনার কাজ নয় সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসের কাজ তারপরও নিজের প্রয়োজনে না হয় একটু কষ্ট করলেন। ধন্যবাদ।

দেশের বাহিরে থাকলে আবেদন করার নিয়ম

বিদেশে অবস্থান করাকালিন সময়ে পিসিসি’র প্রয়োজন হলে, আপনাকে সর্বপ্রথম উক্ত বিদেশী রাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক আপনার পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি আবেদনের সহিত জমা দিতে হবে। আমার বাঙ্গালী ভাইয়েরা যারা বিদেশে অবস্থান করছেন এবং প্রয়োজনের সময় পিসিসি পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করছেন এই বিষয়টি না জানার কারণে তাদের আবেদনগুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে । আবেদন বাতিল হওয়ার কারণগুলো দেখে নিন।

কিউআরকোড কি

পিসিসি পাওয়ার জন্য আপনি যখন বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়েব পেজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদিসহ একখানা আবেদন সাবমিট করেন তখন প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের পর আপনাকে একটি পিসিসি দেওয়া হয়। উক্ত পিসিসিতে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য থাকে। আপনার তথ্যাবলি এবং এই পিসিসিটি যে মিথ্যা নয় তারই স্বাক্ষ্য দেয় কিউআরকোড। সত্য-মিথ্যা আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় কিউআরকোড। যা দেখতে কালো রঙের আয়তার। তাই পিসিসি হাতে পাওয়ার পর ভালভাবে দেখে নিতে হবে আপনার পিসিসি’র উপর কিউআরকোডটি আছে কিনা ।

পাসপোর্ট কপি আপলোড করার নিয়ম

পাসপোর্ট কপি আপলোড হচ্ছে না! আবেদনের সময় পাসপোর্ট কপিসহ অন্যান্য কপি আপলোড করা আবশ্যক। আর এটা করতে না পারার অন্যতম কারণ হচ্ছে ইহার সাইজ। আপানার পাসপোর্টসহ অন্যান্য ছবির সাইজ (চালানের ছবি ব্যতিত) হতে হবে 150KB এর মধ্যে । এবং চালানের ছবির সাইজ হতে হবে 300KB এর মধ্যে। যেকোনো ছবির পিক্সেল সংখ্যা কমিয়ে দিলে উক্ত ছবির সাইজও কমে যায় । Read More

আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস

আপনি যখন অনলাইনে আবেদনের কাজ সঠিকভাবে শেষ করবেন তখনই সিস্টেম আপনাকে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখিয়ে দেবে। সর্বডানে আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাস দেখাবে Application Submitted তারপর দেখাবে Pending for Payment Verification অনেকেই সমস্যা মনে করে আমাকে ফোন করে জানতে চান, আসলে এটা কোন সমস্যা নয়। পরবর্তীতে এখানেই আপনি আপনার আবেদনের আরো আপডেট দেখতে পাবেন। আর আপনি যদি সফলভাবে আবেদনের কাজ শেষ করতে না পারেন তাহলে আপনি দেখতে পাবেন Draft অথবা Pending for Payment. আবেদন সাবমিট হওয়ার পর যদি Application Rejected অথবা Payment Refused অথবা Application Closed দেখায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে । Read More

আবেদন করার নিয়মাবলি


পরিবর্তন আনা হয়েছে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রত্যাশীদের আবেদন ফরমে।
আপনি যদি চাকরি বা অন্য প্রয়োজনে পিসিসি পেতে চান তাহলে অনলাইনে আবেদন করার কোন প্রয়োজন নেই। যদি বিদেশ যেতে চান তাহলে Go abroad এ ক্লিক করে কোন দেশে যেতে চান তা Abroad Country ঘরে সিলেক্ট করুন।

একটি আবেদন সাবমিট করার জন্য আপনাকে ছয়টি ( ০৬ ) ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

( ১ ) Personal Information প্রথম ধাপে পপিসিসি পাওয়ার জন্য পাসপোর্ট নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হয়। তখন একটি রেফারেন্স নম্বর ক্রিয়েট হয়। উদাঃ 19******* প্রথম দুটি সংখ্যা দেখে সহজেই বোঝা যায় এটা কোন সালের আবেদন। এই নম্বরটি অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ । আপনি যখন আপনার প্রয়োজনে পুলিশ আইটি হেল্পডেস্কে ফোন করবেন তখন আপনাকে হেল্প করার জন্য পুলিশ আইটি হেল্পডেস্ক থেকে আপনার রেফারেন্সটি জানতে চাইবে।
( ২ ) Personal Address দ্বিতীয় ধাপে আপনার ঠিকানার তথ্য দিতে হয়। তখন সিস্টেমস আপনাকে তৃতীয় ধাপে নিয়ে যাবে।
( ৩ ) Documents তৃতীয় ধাপে আপনার পাসপোর্ট কপিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ আপলোড করতে হয়। আপনি যখন এই ধাপটিও অতিক্রম করবেন তখন সিস্টেমস আপনাকে পরের ধাপে নিয়ে যাবে Read More

how to apply for pcc bd

Payment Refused!

পেমেন্ট রিফিউজ্ড হলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে, আপনি আবেদনের সাথে যে চালান কপিটি আপলোড করেছেন সেটি ভুল। মআবেদন সাবমিট করার পূ্র্বে ব্যাংকে ৫০০/- পাঁচশত টাকার ট্রেজারী চালান জমা দিতে হয়। ব্যাংক কর্তৃক স্বাক্ষরযুক্ত ও সীলমোহরকৃত উক্ত চালান ফরমটি আবেদনের সাথে জমা দিতে হয়। আর উক্ত চালান ফরমে টাকা জমা দানকারির নাম ও ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে । আপনি নিজের আবেদনের কাজ যদি নিজেই করেন তাহলে এই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। আর আপনি যদি কোন অনলাইন কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আবেদনের কাজ করেন তাহলে ভুল হওয়ার সম্ভাবন অনেক বেশি থাকে। দোকানদাররা এক সাথে অনেকগুলো আবেদনের কাজ করেন ফলে একজনের চালান কপি আরেকজনের আবেদনের সাথে আপলোড করে দেন যা ভুল কাজ। আবেদন বাতিল হওয়ার এটি অন্যতম কারণ। আপনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন । এক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে না। আপনি পূর্বের চালান তথ্যই ব্যবহার করতে পারবেন। চালানকপি আপলোড করার সময় সতর্কতার সহিত কাজ করুন। আবেদন সাবমিট করার পর আপনার আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস Application Submitted দেখাবে । Read More

Ready for Print

রেডি ফর প্রিন্ট লেখা দেখে অনেকই বুঝে যান যে, এটা খুবই ভাল সংবাদ। কিন্তু আপনি কি জানেন? পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হাতে পাওয়ার পরও সেই সার্টিফিকেটটি আপনার কাজে নাও লাগাতে পারে ! বিপরীতে যোগ হতে পারে টেনশন ও বাড়তি টাকা খরচ সেই সঙ্গে নতুন করে আবেদনের ঝামেলা তো আছেই। Ready for Print খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই ধাপের কাজ হওয়ার সময় নিশ্চিন্ত থাকার কোন সুযোগ নেই। কারণটা বলছি, আপনি যখন আবেদনের কাজ করছিলেন তখন হয়ত একটি বানান ভুল হয়েছে যা আপনার চোখে পড়েনি। আবার তদন্তকারী অফিসারের চোখেও পড়ল না। আর এই অবস্থায় আপনার পক্ষে উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি প্রিন্ট করা হলো। বানান ভুলযুক্ত সার্টিফিকেট আপনার কোন উপকারে আসবে একবার ভাবুন। তারপরে আপনাকে কি কি ঝামেলায় পড়তে হবে তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন। তাই আবেদন সাবমিট করার সময় খুবই সতর্কতার সহিত কাজ করুন। এরপরও যদি ভুল হয়ে যায় তাহলে আপনি সার্টিফিকেট প্রিন্ট করার আগেই সেটা ঠিক করে নিন। তদন্তকারী অফিসার অথবা পুলিশ আইটি হেল্পডেস্কের সহায়তা নিন।

Certificate Printed

সার্টিফিকেট প্রিন্ট করা হয়েছে। এর মানে কি তা নিশ্চয়ই আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এর মানে বুঝতে কারও ভুলও হয় না। তবে সবাই যে ভুলটা করে সেটা হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট হলেই বুঝি সঙ্গে সঙ্গে হাতে পাওয়া যায়। না । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট হলেই আপনি হাতে পাবেন না। কারণ এরপরও আরো কাজ থাকে। সার্টিফিকেট প্রিন্ট হওয়ার পর উহাতে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত হয়। Certificate Printed থাকাবস্থায় যদি আপনি দেখেন যে, আপনার আবেদনের কোন একটি জাগায় বানানের ভুল আছে তাহলে তা সংশোধন করার আরো একটি সুযোগ পাবেন। আর এই কাজটি করুন থানার ওসি কর্তৃক স্বক্ষরের পূর্বেই। কেননা বানান ভুলযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনার কোন উপকারে আসবে না।

Sign by OC

সার্টিফিকেটে ওসি স্বাক্ষর করেছেন । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট থানার ওসি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত সার্টিফিকেটটি পরবর্তী কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার বরাবর প্র্রেরণ করা হয় । আপনার ঠিকানাটি মেট্রো এলাকায় হলে ডিসি অফিস বরাবর অথবা জেলাধীন হলে এসপি অফিসে বরাবর প্রেরণ করা হয়। যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার অধীনে হয় তাহলে আপনি একটু আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি পেতে পারেন। আর যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকার বাহিরে হয় তাহলে একটু বেশি সময় লাগবে। তাই একটু আগে পাওয়ার জন্য অনেকেই ঢাকার বর্তমান ঠিকানাটি ব্যবহার করেন যা পাসপোর্টে নেই। যারপ্রেক্ষিতে আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়। থানার কাজ শেষ হওয়ার পর আর মাত্র্র দুটি কাজ বাকি থাকে।

Sign by DC/SP

সার্টিফিকেট ডিসি/এসপি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি পরবর্তী কাজের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা বরাবর প্র্রেরণ করা হয় । আপনার ঠিকানাটি মেট্রো এলাকায় হলে ডিসি কর্তৃক অথবা জেলাধীন হলে এসপি কর্তৃক ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার অধীনে হয় তাহলে আপনি একটু আগে সার্টিফিকেটটি পেতে পারেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসে ফেরত দেওয়া হয়। এই কাজ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিস উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি আবেদকারীর হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে। আর মাত্র্র একটি কাজ বাকি থাকে।

Ready For Delivery

রেডি ফর ডেলিভারি কারেন্ট স্ট্যাটাস তখনই দেখাবে যখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তত হবে। মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত যে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা বরাবর প্র্রেরণ করা হয়েছিল, সেটি পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত করার পর সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলা পুলিশ অফিসে ফেরত দেওয়া হয়েছে। কারেন্ট স্ট্যাটাসে Ready For Delivery দেখানোর পর সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলা পুলিশ অফিস উক্ত সার্টিফিকেটটি আবেদকারীর হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে। তখন আপনি সেই কাঙ্খিত সার্টিফিকেটটি হাতে পাবেন/ সংগ্রহ করতে পারবেন। সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার পদ্ধতি দুটি। ১- কুরিয়ারের মাধ্যমে, ২- হাতে হাতে। যদি হাতে হাতে নেন তাহলে আপনার জেলার পুলিশ সুপার আর মেট্রো হলে পুলিশ কমিশনার অফিসে যেতে হবে। আবেদন সাবমিট করার পর দিন হিসেবে ধরলে ঢাকার মধ্যে ০৭ কর্ম দিবস আর ঢাকার বাহিরে হলে ১০ কর্ম দিবসের বেশি নয়।

পেনডিং ফর পেমেন্ট থাকলে যা করণীয়

পেনডিং ফর পেমেন্ট ! আপনি ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন এরপরও আপনার আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস যদি Pending for Payment থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার আপবেদনটি সাবমিট হয় নি। অনেকেই বিষয়টি না বুঝে বলেন -ভাই আমিতো ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছি এরপরও পেনডিং ফর পেমেন্ট দেখাচ্ছে কেন? তখন তাদেরকে বিস্তারিত বুঝিয়ে বলি। অনেকেই আবার ব্যাংকে ছুটাছুটি করেন অতিরিক্ত কষ্ট করেন। আর কাউকে যেন এই কষ্ট করতে না হয় সেজন্যই এই টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইটটি বানিয়েছি। এখন আসি মূল কথায় আপনার আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস যদি এরকম দেখতে পান তাহলে আপনাকে প্রথমেই আপনার আইডিতে প্রবেশ করতে হবে Read More

পিসিসি আইডি খোলার উপায়

আবেদনের আইডি খোলার পূর্বে সর্বপ্রথম রেজিষ্ট্রেশন ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আপনার নাম এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে আপনি একটি পিসিসি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে প্রতিটি``` ধাপ সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। যে বক্সগুলোর সামনে ‍ Star Mark করা আছে সেগুলো পূরণ করতে হবে। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে, আপনি একটি পিসিসি আইডি দিয়ে একাধিক ব্যক্তির আবেদনের কাজ করতে পারবেন। আর সেজন্য রেজিষ্ট্রেশন ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন এইভাবে - প্রথম ঘরে নাম ব্যবহার করুন দ্বিতীয় ঘরটি পূরণ না করলেও চলবে। তবে এই ঘরটি ব্যবহার করাই উত্তম। পিসিসি আইডি খোলার নিয়ম






Copyright © All Rights Reserved By Halim BD